পৃষ্ঠা

স্বাগতম। আপনাদের সুচিন্তিত মতামত ও সহযোগিতা একান্ত কাম্য । আমাদের ব্লগে মতামত জানাতে মেল করুন "shikhyajagot@gmail.com" ঠিকানায় । ২৫/০৯/২০১৩, ধন্যবাদ

বিষয় খুজেতে এখানে লিখুন

Sunday, March 4, 2018

ইনডেক্স সাইকেল ( Index Cycle )


জেট বায়ু প্রবাহে ( জেট বায়ু – র সরলরৈখিক প্রবাহ থেকে আঁকাবাঁকা সর্পিলাকার প্রবাহে রূপান্তর অবধি নির্দিষ্ট সময়টিকে (৪-৬ সপ্তাহ) ইনডেক্স সাইকেল (Index Cycle) বলা হয় ।

জেট বায়ুপ্রবাহের উৎপত্তি থেকে সমাপ্তি পর্যন্ত এই ইনডেক্স সাইকেল (Index Cycle) তথা জীবনচক্রকে মোট চারটি পর্যায়ে বিভক্ত করা হয় । যথা –

ক) প্রথম পর্যায়ঃ জেট বায়ুপ্রবাহের জীবনচক্রের প্রথম পর্যায়টি হাই জোনাল ইনডেক্স (High Zonal Index) নামে পরিচিত, কারণ এই পর্যায়ে জেট বায়ুর গতিবেগ খুবই বেশী থাকে । এই সময় উত্তর-দক্ষিণে বায়ুচাপের ঢাল খুব বেশী হয় । নিম্ন অক্ষাংশ ও উচ্চ অক্ষাংশের মধ্যে বায়ুপুঞ্জের বিনিময় প্রায় হয়ই না । জেট বায়ু মেরু অঞ্চলের নিকটবর্তী অংশে অবস্থান করে এবং পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে প্রবাহিত হতে থাকে । এর উত্তরে শীতল মেরু বায়ু ও দক্ষিণে মৃদু ঊষ্ণ বায়ু বিরাজ করে ।

খ) দ্বিতীয় পর্যায়ঃ দ্বিতীয় পর্যায়ে জেট বায়ুর গতিবেগ ১৫০-২৫০ কিলোমিটার / ঘন্টা হয়ে থাকে । জেট বায়ু রসবি তরঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে নিরক্ষরেখার দিকে সম্প্রসারিত হতে থাকে । ফলস্বরূপ, পূর্বোক্ত শীতল বায়ু দক্ষিণে ও ঊষ্ণ বায়ু উত্তরে স্থানান্তরিত হতে থাকে ।
গ) তৃতীয় পর্যায়ঃ এই পর্যায়ে জেট বায়ুর গতিবেগ ২৫০-২২০ কিলোমিটার / ঘন্টা হয়ে থাকে । জেট বায়ুর বক্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী হয়ে পড়ে । ফলস্বরূপ, পূর্বোক্ত শীতল বায়ু ক্রমশঃ আরও দক্ষিণে ও ঊষ্ণ বায়ু আরও উত্তরে স্থানান্তরিত হতে থাকে । তাপীয় অবক্রম পূর্ব থেকে পশ্চিমে হয় এবং ৩/৬ টি রসবি তরঙ্গ পৃথিবীকে বেষ্টন করে ।
এবং 
ঘ) চতুর্থ পর্যায়ঃ জেট বায়ুর জীবনচক্রের এই চতুর্থ পর্যায়টি লো জোনাল ইনডেক্স (Low Zonal Index) নামে পরিচিত, কারণ এই পর্যায়ে জেট বায়ুর গতিবেগ একদমই কমে যায় । এটি জেট বায়ুর জীবনচক্রের শেষ পর্যায় । এই পর্যায়ে জেট বায়ুর তরঙ্গের বক্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে ছোটো ছোটো কক্ষ গঠন করে । কক্ষ গঠনের ফলে শীতল মেরু বায়ু মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ক্রান্তীয় অঞ্চলে ঊষ্ণ হালকা বায়ু দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে অবস্থান করে এবং অন্যদিকে উষ্ণ ক্রান্তীয় বায়ু মেরু অঞ্চলে শীতল বায়ু দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে অবস্থান করতে থাকে । ক্রমশঃ বিচ্ছিন্ন কক্ষগুলি গঠনের মধ্য দিয়ে গতিবেগ হ্রাস পেতে পেতে এই পর্যায়ের শেষভাগে জেট বায়ুর জীবনচক্রের পরিসমাপ্তি ঘটে ।)

Wednesday, July 9, 2014

Simple Conical Projection With one Sp

সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ ( এক পরিমিত অক্ষরেখা ) 

(চিত্রানুগ পদ্ধতি /  Graphical Construction ) 




Tuesday, July 8, 2014

GRAPHICAL CONSTRUCTION OF CYLINDRICAL EQUAL AREA PROJECTION

সিলিন্ড্রিক্যাল ইক্যুয়াল এরিয়া প্রজেকশনের চিত্রানুগ অংকন পদ্ধতি 


Friday, May 9, 2014

*পানামা খাল উন্নয়নের কাজ চলছে*

প্রশান্ত এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে একসাথে যুক্ত করে রেখেছে পানামা খাল। এখন এই খালের বিকল্প খোঁজার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এই পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করছেন পরিবেশবাদীরা। পানামা খাল উন্নয়নের কাজ চলছে একশো বছর আগে ২৭ হাজার টন ডায়নামাইট ব্যবহার করে, দুশো মিলিয়ন ঘন মিটার পাথর সরিয়ে, খনন করা হয়েছিলো কৃত্রিম পানামা খাল। পানামা ইসমাস বা পানামা যোজকের মধ্য দিয়ে এই খালটি তৈরি করা হয়। তখন থেকে, গত এক শতাব্দী ধরে, এই খালটিই হচ্ছে পৃথিবীর পূর্ব আর পশ্চিমের মধ্যে সেতুবন্ধন। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টন পন্য বহনকারী জাহাজ চলাচল করে এই খাল দিয়ে। এই খালটিকে কয়েকবার পুনর্খনন করতে হয়েছে জাহাজ চলাচলের জন্যে উপযোগী রাখতে। যুক্তরাষ্ট্রে নিউকাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সমুদ্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক পোল স্টর্ট বছর দুয়েক আগে এই খালের সমস্যার কথা বিবিসির কাছে ব্যাখ্যা করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘পানামা খালের বড়ো সমস্যা হচ্ছে এর আকার। এই খাল এতো ছোট যে এর ভেতর দিয়ে খুব বেশি জাহাজ চলাচলা করতে পারে না। ভেতরে ঢুকতে পারে না বড়ো কোনো জাহাজ।” এই খালটি ৮০ কিলোমিটার লম্বা যা প্রবাহিত হচ্ছে পানামা ইসমাসের ভেতর দিয়ে। পানামা ইসমাস আসলে উচু একটি পাহাড়। খালের ভেতরে বসানো লকের সাহায্যে পানির স্তর উপরে উঠিয়ে নিচে নামিয়ে সেখানে জাহাজ চলাচল করে। বেশি জাহাজ পানামা খালে ঢুকতে পারে না ২০০৭ সালে এই খালটিকে একবার উন্নত করার কাজ হাতে নেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু সেই প্রকল্প খুব বেশি দূর এগুতে পারেনি। এখন এর বিকল্প কিছু চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। পরিকল্পনা করা হচ্ছে নতুন একটি খাল খননের, যা পানামা খালের মতোই প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। পরিকল্পিত এই খালটি হবে পানামা খালের চেয়েও আরো বেশি লম্বা, প্রবাহিত হবে নিকারাগুয়ার ভেতর দিয়ে। এই প্রকল্পের পেছনে খরচ হবে প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।। চীনের অখ্যাত এক কোম্পানিকে এই খাল খননের কাজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নিকারাগুয়া সরকারের এই পরিকল্পনা সমালোচনার মুখে পড়েছে । দেশটির বেশ কয়েকজন পরিবেশ বিজ্ঞানী এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন পরিবেশের জন্যে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে নতুন এই খাল। যদিও এই খাল দেশের কোন কোন এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হবে সেটা এখনও পরিস্কার নয়।
 Source:- http://www.bbc.co.uk/bengali/multimedia/2014/05/140502_mrk_science_panama_canal_environment_giant_mealy_bug_bangladesh.shtml

Saturday, January 18, 2014

এরাটোস্থেনিস ( Eratosthenes )

Eratosthenes_0
 Eratosthenes

এরাটোস্থেনিসঃ         

                            ভৌগোলিক এরাটোস্থেনিস খ্রিষ্ট পূর্ব ২৭৬ তে  উত্তর আফ্রিকার সাইরিনে ( বর্তমান নাম লিবিয়া ) জন্মগ্রহন করেন । তিনি ছিলেন একাধারে দার্শনিক , গনিতজ্ঞ, কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, ভৌগোলিক ও জ্যোতির্বিদ । তিনি খুব পড়তে ভালবাসতেন , আর সেই ভালবাসাকে টিকিয়ে রাখতে তিনি আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরীর  প্রধান গ্রন্থাগারিক হয়েছিলেন  ।
আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরী 
 ভৌগোলিক এরাটোস্থেনিস প্রথম "Geography" শব্দটি ব্যবহার করে পড়াশোনার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছেন । তিনি সর্ব প্রথম স্টেডিয়া পদ্ধতি প্রয়োগ করে পৃথিবীর পরিধি নির্ণয়ের চেষ্টা করেন । তিনিই প্রথম সঠিক ভাবে পৃথিবীর অক্ষের হেলন বা  Tilt of the Earth’s axis নিরূপণ করেন এবং পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যবর্তী দূরত্ব , লিপইয়ার   প্রভৃতি গণনা করেন । এমনকি , তিনিই প্রথম দ্রাঘিমারেখা ও অক্ষরেখা বিশিষ্ট তৎকালীন বিশ্বের মানচিত্র অঙ্কন করেন । 

এরাটোস্থেনিস অঙ্কিত মানচিত্র 
এরাটোস্থেনিস অঙ্কিত মানচিত্র 
এরাটোস্থেনিস বৈজ্ঞানিক কালপঞ্জি (scientific chronology) প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ।  তিনি ট্রয় এর বিজয় থেকে প্রধান সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক ঘটনা তারিখ সংশোধন করে বর্ণনা করেছেন । সংখ্যা তত্ত্বেও ওনার অবদান রয়েছে , তিনি মৌলিক সংখ্যা নির্ণয়ের এক বিশেষ পদ্ধতি আবিস্কার করেন । 


Wednesday, October 23, 2013

টারডিগ্রেড - এক বিস্ময়কর জীব

টারডিগ্রেড একটি আণুবীক্ষণিক জলজ জীব ।  জলের বাইরে এরা দেহকে একটি শক্ত গোলাকার আকৃতির রূপ প্রদান করে যা তুন ( Tun ) নামে পরিচিত । Cryptobiosis পদ্ধতিতে এরা শুষ্ক পরিবেশে দীর্ঘ কাল পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে । এদের দেহ পাঁচটি খণ্ডে বিভক্ত , এবং আটটি পা ও সব পায়ে নখের মত অংশ রয়েছে । বিজ্ঞানী যোহান আগস্ট ইফ্রয়িম গোজ সর্বপ্রথম জার্মান ভাষায় এদের নাম রেখেছিলেন "Tardigrade kleiner Wasserbär" যার অর্থ - ছোট্ট জল ভাল্লুক । এখন পর্যন্ত প্রায় ১১৫০ ধরণের টারডিগ্রেট প্রজাতি খুজে পাওয়া গিয়েছে । প্রায় -২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতে ও এরা বেঁচে থাকতে পারে । ২০০৭ ও ২০১১ সালে এদেরকে মহাকাশে পরীক্ষামূলক ভাবে পাঠানো হয়। এরাই পৃথিবীর এক মাত্র জীব যারা মহাকাশে দীর্ঘদিন সময় কাটিয়ে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে এসেছে । আরও জানতে ক্লিক করুনঃ- http://en.wikipedia.org/wiki/Tardigrade ,

Monday, October 21, 2013

ভূ - সংবাদ - ২১/১০/২০১৩




Sunday, October 20, 2013

ভূ - সংবাদ - ২০/১০/২০১৩